দিনাজপুরের হাকিমপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদক মামলায় দুই জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এছাড়াও( ৯) শিশু ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে জনতা সাজ্জাদ হোসেন (৬৬) কে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, থানার মংলাপাড়া (মংলা বাজার) এলাকার তরিকুল ইসলামের ছেলে লিমন (২৭), একই ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে শোভন ইসলাম (২৫)। আজ ৩০ জুন সকালে থানার বৈগ্রাম(দক্ষিণ বেদেপাড়া)এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে সাজ্জাদ রহমান (৬৬) কে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে জনতা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে তার বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশু মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বলে জানান গ্রামবাসী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুন মাদ্রাসা ছুটির পরে ওই শিশু বাড়ি যাওয়ার পথে আসামি সাজ্জাদ হোসেন খাবার খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তার শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঘটনার বিষয়ে কাওকে বললে হত্যার হুমকি দেয় আসামি সাজ্জাদ হোসেন। পরে ভুক্তভোগী শিশু তার বান্ধবীর কাছে বললে বিষয়টি জানাজানি হয়।আজ সকালে শিশুটির পরিবার কৌশলে সাজ্জাদ হোসেন কে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আসামী সাজ্জাদ হোসেন কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে।
ওসি মোঃ জাকির হোসেন জানান, হাকিমপুর থানা পুলিশেরম মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমার নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি চৌকস দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় পলাতক আসামী লিমন ও একই ইউনিয়নের নয়ানগর এলাকার শোভন ইসলামকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এছাড়া আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে শিশু ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে জনতা আটক করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আসামী সাজ্জাদ হোসেন কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে। পরে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং প্যানেল কোডে মামলা দায়ের পূর্বক দুপুরের পরে গ্রেফতারকৃত আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মতামত