বীরগঞ্জ

বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে আটকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯ জনকে আদালতে সোর্পদ

প্রিন্ট
বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে আটকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯ জনকে আদালতে সোর্পদ

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:২৬ আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:২৮


দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ব্যবসায়ী ও সেবনকারীসহ আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

শুক্রবার সকালে একই অভিযানে একটি নিয়মিত মামলার আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজাপ্রাপ্তদের এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের ধীরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে উৎপল রায়, দামাইক্ষেত্র গ্রামের মৃত বুধা চন্দ্র রায়ের ছেলে কার্তিক চন্দ্র রায়, দেবীপুর গ্রামের নারায়ণ রায়ের ছেলে অপু চন্দ্র রায়, একই গ্রামের মো. আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে মো. আরমান আলী এবং মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. রাহেল ইসলামকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে শতগ্রাম ইউনিয়নের মুচকুড়ি গ্রামের মো. বাবু মিয়ার ছেলে মো. আলমগীর হোসেন, চাপাপাড়া গ্রামের মৃত নেন্দা মোহাম্মদের ছেলে মো. মোস্তাকিম এবং মুচকুড়ি গ্রামের মো. আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে মো. মামুন মিয়াকে ছয় মাস করে কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

দিনাজপুরের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসার সার্বিক দিকনির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বীরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, এলাকা থেকে মাদক নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর অবস্থান ও সুস্পষ্ট নির্দেশনার আলোকে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলাকে মাদকমুক্ত গড়ার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রত্যাশা এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই জোরালো অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে কোনো অবস্থাতেই মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদক গ্রহণকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

বীরগঞ্জ উপজেলাকে পুরোপুরি মাদকমুক্ত করতে পুলিশ ও সরকারি প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। 

তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে স্থানীয় সচেতন জনগণের তথ্যগত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদকের অপতৎপরতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।