পৃথিবীতে বাবা নেই যার তার কাছে গোটা পৃথিবীটা যেন অন্ধকার। বাবা হচ্ছে বট বৃক্ষের ছায়া। এসব কথা শুধু বই পুস্তক গল্প কাহিনিতে শুনেছে। বাস্তবতায় দিনাজপুর হাকিমপুর পৌরসভার জালালপুর গ্রামের বাবা হারানো এতিম প্রতিবন্ধী শিশু মনির (৫)কে দেখে আবাক হওয়ার কথা। এমন এক এতিম শিশু মনিরের পরিবারের সদস্যদের মুখে একটু খানি হাসি ফুটাতে পাশে দাঁড়িয়েছে হাকিমপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'হিলি যুবশক্তি ফাউন্ডেশন'।
আজ শনিবার দুপুরে হাকিমপুর হিলি পৌরসভার জালালপুর গ্রামে বাবা হারানো এতিম প্রতিবন্ধী শিশু মনিরের বয়স মাত্র ৫ বছর।তার পরিবারকে একটি ছাগল ও খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে তুলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিলি যুবশক্তি ফাউন্ডেশন।
মনিরের মা মোমেন বেগম আমার ছেলে প্রতিবন্ধী তার বয়স ৫ বছর।সে সমাজের আর দশটা ছেলের মতো চলাফেরা করা, বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা কিছুই করতে পারে না। আমি মা খুব কষ্ট অন্যর বাড়িতে কাজ করে তার পরও আমার সন্তানের মুখে খাবার দিতে চাই। অশ্রুসিক্ত নয়নে মনিরের মা বলেন, ওর বাবা বেশ কিছু দিন আগে মৃত্যু বরণ করায় আমাদের পরিবারে আরও অন্ধকারের ছায়া নেমে আসে। তারপরও খুব কষ্ট করে সংসার চালায় কিন্তু ভিক্ষা করি না। আজ আমাদের এতিম পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে যারা আল্লাহ অবশ্যই তাদের ভালো করবেন। আমি মন খুলে আল্লাহর নিকট তাদের জন্য দোয়া করি।
হিলি যুবশক্তি ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি শোয়াইব আহমেদ সাজিদ বলেন, আমাদের সংগঠটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আমরা বন্ধু বন্ধাবর বাবা মা আমাদের জন্য যে খরচের টাকা দেয় কিছু টাকা বাঁচিয়ে একত্রিত করে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী এবং গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চাই।প্রতিবন্ধী শিশু মনিরের বিষয়টা ঠিক একই রকম। আমরা খোঁজ পেয়ে তার পরিবারের জন্য একটি ছাগল ও কিছু খাদ্য সামগ্রী নিয়ে গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করে তার মায়ের হাতে এসব তুলে দেওয়া হয়। এসময় প্রতিবন্ধী মনিরের মুখের হাসিটা আমাদের সব চাওয়া পাওয়া পূরণ করে দিয়েছে।
এসময় সংগঠনের সদস্য আতিকুল ইসলাম, সৌরভ আহমেদ,সিয়াম,তারেক সাজ্জাদুল, রবিউল ইসলাম সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মতামত