সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজাকে ঘিরে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মন্দির গুলোতে প্রতিমা তৈরির মাটির কাজ শেষ। এখন শেষ মুহূর্তের রং তুলির আঁচড়ের অপেক্ষায় কারিগররা। এবারে হাকিমপুর উপজেলার ২১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ পুজামন্ডপে প্রতিমার মাটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন রং ও অলংকারে প্রতিমাকে সাজিয়ে তোলার অপেক্ষায় রয়েছেন কারিগররা। পাশাপাশি মণ্ডপে আলোক সজ্জার কাজও এগিয়ে চলছে পুরোদমে।
প্রতিমা কারিগর নিপেন চন্দ্র ও অনিল কুমার বলেন, প্রতিমার মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এখন রং ও সাজসজ্জার কাজ বাকি রয়েছে। এসব কাজ শেষ হলেই প্রতিমা পূজার জন্য প্রস্তুত হবে।
চণ্ডীপুর সার্বজনীন মন্দিরের পুজা কমিটির সভাপতি অলক কুমার বসাক বলেন, আমাদের মণ্ডপের প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন রং ও সাজ সজ্জার কাজ চলবে। নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আশাকরি ভালো ভাবে এবারের দুর্গাপূজা সম্পূর্ণ করতে পারবো।
উপজেলার গোহাড়া মন্দিরের পুজা কমিটির সভাপতি শ্রী জনার্দন চন্দ্র বলেন, বরাবরের মতো এবারও আমাদের মন্দিরের প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ। এখন শিল্পীরা মনের মাধুরি মিশিয়ে রং তুলির আঁচড়ের অপেক্ষায় কারিগররা। অন্য মন্দিরের আলোকসজ্জার বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুর্গাপূজার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাকির হোসেন বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য আমরা পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে। সেই জন্য প্রতিটি মণ্ডপে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
মতামত