দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মৎস্য জীবী ইসমাইল হকের (৬০) লাশ ফেরত দিয়েছে ভারত।
নিখোঁজের ২০ দিন পর আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবির মাধ্যমে লাশটি হস্তান্তর করে।
এসময় দুই দেশের বিজিবি,বিএসএফ ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিহত ইসমাইল হক বিরল উপজেলার কামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের ছেলে হায়দার আলী জানান, গত ১ মে বিকেলে বাড়ির পাশে পুনর্ভবা নদীর লালমাটিয়া সুইসগেট এলাকায় জাল দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন তার বাবা। ধারণা করা হচ্ছে, স্লুইসগেটের কপাট খুলে দেওয়ায় পানির তীব্র স্রোতে তিনি ভেসে যান। ঘটনার পরদিন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো খোঁজ পায়নি। পরে ৫ মে ভারতের একটি অনলাইন পত্রিকায় অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের খবর দেখে স্বজনদের সন্দেহ হয়। ওপারে থাকা এক আত্মীয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানায় গিয়ে লাশটি ইসমাইলের বলে শনাক্ত করা হয়।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এএস আই মোঃ তালেব হোসেন জানান, গত ১ মে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ধারনা করা হচ্ছে বজ্রপাতে তিনি নিহত হয়েছেন। তারপর নদীর স্রোত থাকায় মরদেহ ভেষে যায়। এরপর স্থানীয়রা নদীর ধারে দেখতে পেয়ে ভারতের গঙ্গারাম থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে আত্ময় থানায় গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনার নিকট আবেদনের পর আজ লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারতের গঙ্গারামপুর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছিল। ময়নাতদন্ত শেষে আজ বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে লাশ দেশে এনে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মতামত