দিনাজপুরের বিরামপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গভীর রাতে একটি ধানক্ষেতের ধান কাটার অভিযোগের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোলাপগঞ্জ বাজারের একটি হাসকিং মিলের চাতাল থেকে ধান উদ্ধার করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর পৌরসভার পূর্ব জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ মাসুদ রানা তার বর্গাচাষি মোঃ বুলবুল আহমেদের মাধ্যমে চড়াইভিটা মৌজার একটি জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেন। গত ১ জুন দিবাগত রাতে জমির ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্গাচাষি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
অভিযোগের পর বিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় হারভেস্টার মেশিন ও টলি চালকের তথ্যের সূত্র ধরে পরদিন দুপুরে গোলাপগঞ্জ বাজারে বদিউজ্জামানের একটি হাসকিং মিলের চাতাল থেকে খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় ধানগুলি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে প্লাস্টিকের ৭টি বস্তায় ধানগুলো ভর্তি করে রাখা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ধানের পরিমাণ আনুমানিক ১০ মনের মতো। বিরামপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমানের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত ধান জব্দ করে অভিযোগকারী মোঃ মাসুদ রানা ও বর্গাচাষি মোঃ বুলবুল আহমেদের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, সংশ্লিষ্ট জমিটি নিয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে ।
মতামত